Search This Blog
Wednesday, October 31, 2018
NTRCA এর নামে ভূয়া ওয়েবসাইট সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট সকলকে সতর্ক থাকার জন্য জরুরী বিজ্ঞপ্তি NTRCA
NTRCA এর নামে ভুয়া ওয়েবসাইট সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট সকলকে সতর্ক থাকার জন্য জরুরী বিজ্ঞপ্তি
এতদ্বারা সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য জানানাে যাচ্ছে যে, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ। (NTRCA) এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট হচ্ছে www.ntrca.gov.bd। সম্প্রতি অসৎ উদ্দেশ্যে প্রতারক চক্র www.ntrcabd.org নামে একটি ভূয়া ওয়েবসাইট তৈরি করে জনগণকে বিভ্রান্ত করাসহ অবৈধ অর্থ আদায়ের মাধ্যমে NTRCA এর ভাবমূর্তি নষ্ট করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে মর্মে এ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগােচর হয়েছে। উল্লেখ্য যে, NTRCA অত্যন্ত স্বচ্ছতা, সততা ও নিরপেক্ষতার সাথে শিক্ষক নিয়ােগ কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। এ কার্যক্রমে অর্থ লেনদেনের কোনাে সুযােগ নেই।
এমতাবস্থায়, উক্ত ভুয়া ওয়েবসাইটে যােগাযােগ না করা এবং কারও সাথে শিক্ষক নিয়ােগ সংক্রান্ত বিষয় বা NTRCA সংক্রান্ত অন্য যে কোনাে বিষয়ে আর্থিক লেনদেন না করার জন্য নির্দেশক্রমে সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরােধ করা হলাে।
Monday, October 15, 2018
প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ: একসঙ্গে নয়, জেলায় জেলায় পরীক্ষা
মুসতাক আহমদ: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা এবার একসঙ্গে নেয়া হচ্ছে না। রেকর্ডসংখ্যক প্রার্থীর আবেদন ও পরীক্ষার হল সংকটের কারণে এ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। সরকার ফেব্রুয়ারির মধ্যে এই নিয়োগ পরীক্ষা শেষ করতে চায়। এ লক্ষ্যে ডিসেম্বরের মধ্যে লিখিত পরীক্ষা নেয়া শুরু হবে। জানুয়ারির মধ্যে মৌখিক পরীক্ষা শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।
এছাড়া বিভিন্ন সরকারি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে চলতি দায়িত্বপ্রাপ্তদের পূর্ণকালীন হিসেবে নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত নিয়োগ ও পদোন্নতি নীতিমালা চূড়ান্ত হলেই এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি যুগান্তরকে বলেন, মামলার কারণে দীর্ঘদিন রাজস্ব খাতের শূন্যপদে শিক্ষক নিয়োগ দেয়া যায়নি। তাই অনেক পদ শূন্য আছে। আমরা চাইব নতুন শিক্ষক যেন নতুন বছরে ক্লাসরুমে পাঠাতে পারি। সে লক্ষ্যে এ মাসের মধ্যেই সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা শুরুর চিন্তাভাবনা ছিল। কিন্তু ওএমআর ফরমসহ অন্যান্য দ্রব্যাদি কেনাকাটায় সরকারি ক্রয় আইন (পিপিআর) অনুসরণ করতে গিয়ে আমাদের গতি একটু কমে যাচ্ছে। তাছাড়া একসঙ্গে সারা দেশে পরীক্ষা নেয়া যাচ্ছে না। নভেম্বর মাসজুড়ে দুটি বড় পরীক্ষা আছে। তাই পরীক্ষা হল পাওয়া যাচ্ছে না। সবমিলিয়ে পরীক্ষা ডিসেম্বরে চলে যাচ্ছে। হল পাওয়া সাপেক্ষে ৩-৪টি করে জেলার পরীক্ষা একসঙ্গে নেয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, ইতিমধ্যে যাদের প্রধান শিক্ষকের চলতি দায়িত্ব দেয়া হয়েছে, তাদের স্থায়ী করা হবে।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১২ হাজার শিক্ষক নিয়োগে ৩০ জুলাই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। ১-৩০ আগস্ট অনলাইনে আবেদন নেয়া হয়। মোট ২৪ লাখ ১ হাজার ৫৯৭ জন আবেদন করেছেন। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের (ডিপিই) কর্মকর্তারা বলছেন, এর আগে সর্বশেষ নিয়োগে প্রায় ১২ লাখ প্রার্থী আবেদন করেছিল। সে হিসাবে এবার প্রার্থী দ্বিগুণ।
ডিপিই কর্মকর্তারা আরও জানান, সর্বশেষ নিয়োগে সারা দেশে ৩ হাজার ৬৬২ কেন্দ্রে পরীক্ষা নেয়া হয়। এবার দ্বিগুণ প্রার্থী হওয়ায় কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ানো দরকার। কিন্তু উপজেলা-জেলা পর্যায়ে এত কেন্দ্র পাওয়া কঠিন। এ কারণে উপজেলা সদরের কাছাকাছি পরীক্ষা কেন্দ্র নির্বাচনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। কেন্দ্র নির্বাচনের দায়িত্ব জেলা প্রশাসকদের দেয়া হয়েছে। এখন জেলা প্রশাসকরা কেন্দ্র ঠিক করে দিলে দুই তা ততোধিক জেলায় একসঙ্গে পরীক্ষা নেয়া হবে। এই পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে নেয়ার জন্য মন্ত্রণালয় ২০ সেট প্রশ্নপত্র তৈরি করবে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, আগে এই নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন তৈরিসহ পরীক্ষা গ্রহণে নেতৃত্ব দিত ডিপিই। প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে আরও কড়াকড়ি আনা এবং সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা আয়োজনে এবার প্রশ্ন নির্বাচন ও আসন বিন্যাস মন্ত্রণালয় থেকে নির্ধারণ করে দেয়া হবে। ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রণয়ন করা হবে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র। ওএমআর ফরম ডিজাইন ও মূল্যায়ন, পরীক্ষার সময়সূচি, ফলাফল প্রক্রিয়াকরণ ও প্রকাশ এবং পরীক্ষা কেন্দ্রের আসন বিন্যাসের পদ্ধতি উন্নয়ন বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন বলেন, পরীক্ষার ব্যাপারে বুয়েটের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। ওএমআর ফরম কেনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পরীক্ষা কেন্দ্র বাড়াতে এবার উপজেলা সদরের পাশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে কেন্দ্র বাড়ানোর প্রস্তাব এসেছে। কেন্দ্র নিশ্চিতকরণের দায়িত্ব প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরকে দেয়া হয়েছে। তারা প্রতিটি জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আলোচনা করে কেন্দ্র বৃদ্ধি ও পরীক্ষা আয়োজনের জন্য সময় নির্ধারণ করবে। এরপর নিয়োগ পরীক্ষার সময় ঘোষণা করা হবে। একই সঙ্গে যদি সব জেলায় একসঙ্গে কেন্দ্র খালি না পাওয়া যায় তবে কয়েকটি জেলায় সমন্বয় করে পর্যায়ক্রমে নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজন করা হতে পারে।
আকরাম আল-হোসেন আরও বলেন, এবার তিন ধাপের পরীক্ষার মাধ্যমে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করার চিন্তা ছিল। কিন্তু সময়স্বল্পতার কারণে আগের মতোই দুই স্তরের পরীক্ষায় নিয়োগ করা হবে। সে অনুযায়ী ৮০ নম্বরে এমসিকিউ পদ্ধতির লিখিত পরীক্ষার পর ২০ নম্বরে ভাইভা নেয়া হবে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ফিজার বলেন, দীর্ঘদিন নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ থাকায় শিক্ষক সংকট তৈরি হয়েছে। তাই এই নিয়োগটি আমাদের দ্রুত শেষ করা প্রয়োজন। সে কারণে পরীক্ষা পদ্ধতি বদলানো সম্ভব হয়নি। তবে প্রার্থীর আবেদনে ন্যূনতম যোগ্যতা উচ্চ মাধ্যমিক পাস থাকলেও বিদ্যমান পদ্ধতিতে মানসম্পন্ন প্রার্থীরাই নিয়োগ পাচ্ছে। গত কয়েক বছরের রেকর্ডে দেখা যাচ্ছে, অধিকাংশ প্রার্থীই স্নাতক ডিগ্রিধারী।
চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত নিয়োগ পাচ্ছেন : গত কয়েক মাসে চট্টগ্রাম ও বান্দরবান জেলা বাদে সারা দেশে ১৭ হাজার সহকারী শিক্ষককে প্রধান শিক্ষক হিসেবে চলতি
Thursday, October 4, 2018
নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ৩৯ হাজার শিক্ষক নিয়োগ
মামলাসহ নানা জটিলতার কারণে প্রায় দুই বছর ধরে বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ বন্ধ ছিলো। এতে সারাদেশে বিভিন্ন স্কুল কলেজে শিক্ষক সংকট তৈরি হয়েছে। ফলে ব্যহত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রয়। এই অবস্থা উত্তরণে শিক্ষক নিয়োগ ফের চালু হচ্ছে। আগামী নভেম্বরে মাসের প্রথম সপ্তাহে ৩৯ হাজার শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে বলে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) একাধিক কর্মকর্তা সূত্রে জানা গেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বেশ কিছু জটিলাতার কারণে কয়েক বছর শিক্ষক নিয়োগ বন্ধ ছিলো। বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগে সারাদেশের সব স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শূন্য আসনের তালিকা পাঠাতে নির্দেশনা দেয় এনটিআরসিএ। প্রথম দফায় সব শূন্য পদের তালিকা না পাওয়ায় দ্বিতীয় দফায় সময় বাড়ানো হয়। গত ৩০সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় দফায় মেধা তালিকা পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে সবুজ সংকেত পেলে আগামী মাসের শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে।
সম্প্রতি ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধনের মৌখিক পরীক্ষা শেষ হয়েছে। চলতি মাসের শেষ দিকে চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে। এবিষয় জানতে চাইলে এনটিআরসিএ’র সদ্য বিদায়ী চেয়ারম্যান আজাহার হোসেন একুশে টিভি অনলাইনকে বলেন, শিক্ষক নিয়োগের তালিকা আমরা পাঠিয়েছি। এছাড়া বেশ কিছু জটিলতা রয়েছে। এগুলো কাটিয়ে নিয়োগ বিজ্ঞাপ্তি প্রকাশ করা হবে।
নভেম্বরে কত তারিখে বিজ্ঞাপ্তি প্রকাশ করা হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সারাদেশে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে বিভিন্ন বিষয়ে মোট ৩৮ হাজার ৮০০ জন শিক্ষকের তালিকা পাঠানো হয়েছে। টেলিটক মোবাইলের মাধ্যমে এ তালিকা সংগ্রহ করা হয়েছে। বর্তমানে শূন্য আসনের তালিকা সংশ্লিষ্ট উপজেলা শিক্ষা কমকর্তাদের মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করা হবে। এরপর সেই তালিকা চূড়ান্ত করা হবে। তালিকা চূড়ান্ত করার পর নিবন্ধিত প্রার্থীদের আবেদন চেয়ে একটি গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে এনটিআরসিএ। এরপর মেধা অনুযায়ী বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মোধাক্রমে নিয়োগ দিতে সুপারিশ করবে এ প্রতিষ্ঠানটি। আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে হতে পারে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে বলছে, এনটিআরসিএ’র নিবন্ধন পরীক্ষায় পাস করার পরও নিয়োগ না পেয়ে বিভিন্ন সময়ে নিবন্ধিত প্রার্থীরা ৩৫টি মামলা করেন। তার ভিত্তিতে আদালত থেকে নিবন্ধিত প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশের নির্দেশনা দেওয়া হয়। সেই মোতাবেক প্রথম থেকে ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় পাস করা প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করে এনটিআরসিএ।
এ তালিকায় সারাদেশে মোট ৬ লাখ ৪ হাজার ৬৮৫ জনের নাম প্রকাশ করা হয়। এর মধ্যে অনেকেই বিভিন্ন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত রয়েছেন। এদিকে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগে কিছুটা পরিবর্তন আনতে গত ৫ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের বেসরকারি বিদ্যালয় শাখায় একটি সুপারিশ পাঠানো হয়।
সুপারিশে বলা হয়, আইন অনুযায়ী বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (স্কুল অ্যান্ড কলেজ, কলেজ, মাদরাসা) মহানগর অথবা জেলা সদরের পৌর এলাকায় অবস্থিত প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে অনুমোদিত শিক্ষক পদসংখ্যার অন্তত ৪০ শতাংশ পদে এবং অন্যান্য এলাকার ক্ষেত্রে ২০ শতাংশ পদে নারী শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে।
অথচ বাস্তবে একই উপজেলার মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন হার থাকায় অনেক ক্ষেত্রে সঠিক হিসাব নির্ণয়ে কঠিন ও ভুল হয়ে যায়। তাই দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একই হারে নারী কোটা চালুর প্রস্তাব করা হয়েছে। সেখানে ২০ থেকে ৩০ শতাংশ করা যেতে পারেও বলে উল্লেখ করা হয়।
এছাড়া শরীরচর্চা শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে ছাত্রীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পুরুষ এবং ছাত্রদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠা নারী শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ আপত্তি জানিয়ে আসছেন। তাই শরীরচর্চা বিষয়ে ছাত্রদের প্রতিষ্ঠানে পুরুষ এবং ছাত্রীদের প্রতিষ্ঠানে নারী শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করেছে এনটিআরসিএ।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়) জাবেদ আহমেদ একুশে টিভি অনলাইনকে বলেন, এনটিআরসিএ থেকে পাঠানো সুপারিশকে গুরুত্ব দিয়ে নিয়োগের ক্ষেত্রে কিছুটা পরিবর্তন আনা হবে। দ্রুত এ বিষয়ে সভা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে ৩৫ বছর বয়সসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর বেশি হলে নিবন্ধিত ব্যক্তি নিয়োগের জন্য আবেদন করতে পারবেন না। জেলা ভিত্তিক নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল করে জাতীয় ভাবে নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। ফলে এক জেলার প্রার্থী অন্য জেলায় নিয়োগের আবেদন করতে পারবেন। এবং নিয়োগের ক্ষেত্রে সব কোটা বাতিল করে কেবল নারী শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে বিদ্যমান কোটা ৩০ শতাংশ বহাল রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি শারীরচর্চা শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রেও পরিবর্তন আনা হতে পারে বলে জানিয়েছেন এ কর্মকর্তা।
সূত্রঃ একুশে টিভি
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বেশ কিছু জটিলাতার কারণে কয়েক বছর শিক্ষক নিয়োগ বন্ধ ছিলো। বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগে সারাদেশের সব স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শূন্য আসনের তালিকা পাঠাতে নির্দেশনা দেয় এনটিআরসিএ। প্রথম দফায় সব শূন্য পদের তালিকা না পাওয়ায় দ্বিতীয় দফায় সময় বাড়ানো হয়। গত ৩০সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় দফায় মেধা তালিকা পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে সবুজ সংকেত পেলে আগামী মাসের শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে।
সম্প্রতি ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধনের মৌখিক পরীক্ষা শেষ হয়েছে। চলতি মাসের শেষ দিকে চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে। এবিষয় জানতে চাইলে এনটিআরসিএ’র সদ্য বিদায়ী চেয়ারম্যান আজাহার হোসেন একুশে টিভি অনলাইনকে বলেন, শিক্ষক নিয়োগের তালিকা আমরা পাঠিয়েছি। এছাড়া বেশ কিছু জটিলতা রয়েছে। এগুলো কাটিয়ে নিয়োগ বিজ্ঞাপ্তি প্রকাশ করা হবে।
নভেম্বরে কত তারিখে বিজ্ঞাপ্তি প্রকাশ করা হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সারাদেশে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে বিভিন্ন বিষয়ে মোট ৩৮ হাজার ৮০০ জন শিক্ষকের তালিকা পাঠানো হয়েছে। টেলিটক মোবাইলের মাধ্যমে এ তালিকা সংগ্রহ করা হয়েছে। বর্তমানে শূন্য আসনের তালিকা সংশ্লিষ্ট উপজেলা শিক্ষা কমকর্তাদের মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করা হবে। এরপর সেই তালিকা চূড়ান্ত করা হবে। তালিকা চূড়ান্ত করার পর নিবন্ধিত প্রার্থীদের আবেদন চেয়ে একটি গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে এনটিআরসিএ। এরপর মেধা অনুযায়ী বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মোধাক্রমে নিয়োগ দিতে সুপারিশ করবে এ প্রতিষ্ঠানটি। আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে হতে পারে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে বলছে, এনটিআরসিএ’র নিবন্ধন পরীক্ষায় পাস করার পরও নিয়োগ না পেয়ে বিভিন্ন সময়ে নিবন্ধিত প্রার্থীরা ৩৫টি মামলা করেন। তার ভিত্তিতে আদালত থেকে নিবন্ধিত প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশের নির্দেশনা দেওয়া হয়। সেই মোতাবেক প্রথম থেকে ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় পাস করা প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করে এনটিআরসিএ।
এ তালিকায় সারাদেশে মোট ৬ লাখ ৪ হাজার ৬৮৫ জনের নাম প্রকাশ করা হয়। এর মধ্যে অনেকেই বিভিন্ন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত রয়েছেন। এদিকে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগে কিছুটা পরিবর্তন আনতে গত ৫ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের বেসরকারি বিদ্যালয় শাখায় একটি সুপারিশ পাঠানো হয়।
সুপারিশে বলা হয়, আইন অনুযায়ী বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (স্কুল অ্যান্ড কলেজ, কলেজ, মাদরাসা) মহানগর অথবা জেলা সদরের পৌর এলাকায় অবস্থিত প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে অনুমোদিত শিক্ষক পদসংখ্যার অন্তত ৪০ শতাংশ পদে এবং অন্যান্য এলাকার ক্ষেত্রে ২০ শতাংশ পদে নারী শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে।
অথচ বাস্তবে একই উপজেলার মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন হার থাকায় অনেক ক্ষেত্রে সঠিক হিসাব নির্ণয়ে কঠিন ও ভুল হয়ে যায়। তাই দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একই হারে নারী কোটা চালুর প্রস্তাব করা হয়েছে। সেখানে ২০ থেকে ৩০ শতাংশ করা যেতে পারেও বলে উল্লেখ করা হয়।
এছাড়া শরীরচর্চা শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে ছাত্রীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পুরুষ এবং ছাত্রদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠা নারী শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ আপত্তি জানিয়ে আসছেন। তাই শরীরচর্চা বিষয়ে ছাত্রদের প্রতিষ্ঠানে পুরুষ এবং ছাত্রীদের প্রতিষ্ঠানে নারী শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করেছে এনটিআরসিএ।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়) জাবেদ আহমেদ একুশে টিভি অনলাইনকে বলেন, এনটিআরসিএ থেকে পাঠানো সুপারিশকে গুরুত্ব দিয়ে নিয়োগের ক্ষেত্রে কিছুটা পরিবর্তন আনা হবে। দ্রুত এ বিষয়ে সভা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে ৩৫ বছর বয়সসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর বেশি হলে নিবন্ধিত ব্যক্তি নিয়োগের জন্য আবেদন করতে পারবেন না। জেলা ভিত্তিক নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল করে জাতীয় ভাবে নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। ফলে এক জেলার প্রার্থী অন্য জেলায় নিয়োগের আবেদন করতে পারবেন। এবং নিয়োগের ক্ষেত্রে সব কোটা বাতিল করে কেবল নারী শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে বিদ্যমান কোটা ৩০ শতাংশ বহাল রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি শারীরচর্চা শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রেও পরিবর্তন আনা হতে পারে বলে জানিয়েছেন এ কর্মকর্তা।
সূত্রঃ একুশে টিভি
Friday, September 21, 2018
পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ৪৮৪ পদের পরীক্ষার ধরন ও প্রস্তুতি
পরীক্ষার তারিখঃ ২৮-০৯-২০১৮
► লিখিত পরীক্ষায় প্রশ্ন করা হবে বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও সাধারণ জ্ঞান থেকে
► মৌখিক পরীক্ষায় ব্যাংকিং খাত, অর্থনীতি, সমসাময়িক বিষয়, নিজ জেলা, নিজের সম্পর্কে জানতে চাওয়া হতে পারে
পরীক্ষার ধরন ও প্রস্তুতি
পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের সহকারী মহাপরিচালক শেখ আখতারুজ্জামান জানান, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা হবে। লিখিত পরীক্ষায় প্রশ্ন করা হবে বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও সাধারণ জ্ঞান থেকে। বাংলায় ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির পাঠ্য বইয়ের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো পড়তে হবে। জানতে হবে কবি-সাহিত্যিকদের জীবন ও কর্ম।
ইংরেজিতে গ্রামার অংশে Tense, Parts of speech, Verb, Translation, Number, Gender, Narration, Voice Change, Correct Form of Verbs, Pronunciation, Synonym, Antonym, Transformation of Sentence, Appropriate Word, Idioms and Phrases থেকে প্রশ্ন আসে। এগুলোর সঙ্গে অনেক vocabulary শিখতে হবে।
গণিতে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির পাঠ্য বই অনুসরণ করতে হবে। সুদকষা, ঐকিক নিয়ম, অনুপাত, সমানুপাত, শতকরা, লসাগু-গসাগু, লাভ-ক্ষতি, ভগ্নাংশ, লগারিদম থেকে প্রশ্ন আসতে পারে। দেখতে হবে বীজগণিতের সূত্র, অনুসিদ্ধান্ত, জ্যামিতি ও পরিমিতির সাধারণ নিয়মাবলি।
সাধারণ জ্ঞানের জন্য নজর রাখতে হবে সমসাময়িক বিষয়ের ওপর। জানতে হবে ব্যাংকিং সেক্টরের হালনাগাদ তথ্য। সঙ্গে জানতে হবে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক আলোচিত বিষয় সম্পর্কে। পড়তে হবে ভালোমানের সাধারণ জ্ঞানের বই, দৈনিক পত্রিকা ও কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স বিষয়ক মাসিক সাময়িকী।
মৌখিক পরীক্ষা
লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে মৌখিক পরীক্ষার জন্য ডাকা হবে। ব্যাংকিং খাত, অর্থনীতি, সমসাময়িক বিষয়, নিজ জেলা, নিজের সম্পর্কে জানতে চাওয়া হতে পারে। প্রশ্ন করা হতে পারে পদ সম্পর্কেও। আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। উপস্থিত বুদ্ধিমত্তা, সুন্দর ও সাবলীলভাবে গুছিয়ে কথা ক্ষমতা দেখা হতে পারে মৌখিক পরীক্ষায়।
বেতন ও সুযোগ-সুবিধা
ক্যাশ সহকারী পদে জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ অনুসারে ১০২০০-২৪৬৮০ টাকা স্কেলে বেতনসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হবে। শেখ আখতারুজ্জামান জানান, তিন বছর পরে পদোন্নতির সুযোগ রয়েছে। সিনিয়র অফিসার পর্যন্ত পদোন্নতির সুযোগ রয়েছে একজন ক্যাশ সহকারীর।
Friday, 28 September 2018 (3.30 PM -4.30 PM)
http://psb.teletalk.com.bd/admitcard/index.php
* যারা sms পান নি তারাও ডাউনলোড করতে পারবেন।
* ID/ Password ভুলে গেলে Recover করুন।
* ডাউনলোডে সমস্যা হলে Browser change করে চেষ্টা করুন।
* পরীক্ষা ঢাকাতে হবে।
Monday, September 17, 2018
প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে লিখিত পরীক্ষা অক্টোবরে বিস্তারিত
প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে লিখিত পরীক্ষা অক্টোবরে
>> এবার সর্বোচ্চ আবেদন ২৪ লাখ ৫টি
>> প্রতি আসনে লড়বেন ২০০ জন
>> ডিসেম্বরের মধ্যে মৌখিক পরীক্ষা
>> নিয়োগ কার্যক্রম শেষ হবে আগামী বছর
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘সহকারী শিক্ষক’ হিসেবে নিয়োগ পেতে ২৪ লাখ ৫ জন প্রার্থী অাবেদন করেছেন। সারাদেশে ১২ হাজার আসনের বিপরীতে এই চাকরি প্রত্যাশীরা পরীক্ষা যুদ্ধে বসবেন। অর্থাৎ প্রতি আসনে লড়বেন ২০০ জন। চলতি বছরের ১৯ থেকে ২৬ অক্টোরের মধ্যে লিখিত (এসসিকিউ) পরীক্ষা আয়োজনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। ডিসেম্বরের মধ্যে মৌখিক পরীক্ষা শেষ হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
এ বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. এ এফ এম মনজুর কাদির জাগো নিউজকে বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট নিরসনে প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্প-৪ (পিইডিপি-৪) আওতাভুক্ত ১২ হাজার শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। গত ৩০ জুলাই এই ‘সহকারী শিক্ষক’ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। গত ১ আগস্ট থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন কার্যক্রম শেষ হয়। সারাদেশ থেকে মোট ২৪ লাখ ৫টি আবেদন এসেছে।
তিনি বলেন, আগামী ১৯ থেকে ২৬ অক্টোবরের মধ্যে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজন করতে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আগামী সপ্তাহে এ সংক্রান্ত একটি সভা হওয়ার কথা আছে। সেখানে পরীক্ষার দিন, সময় নির্ধারণ করা হবে। অক্টোবর মাসে লিখিত পরীক্ষা আয়োজন করা হলে ডিসেম্বরের মধ্যে মৌখিক পরীক্ষা শেষ করা হবে। পাস করা যোগ্য প্রার্থীদের পরবর্তী বছরের শুরুতে নিয়োগ দেয়া হবে।
এদিকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) সূত্রে জানা গেছে, অন্যান্য বারের চাইতে ২০১৮ সালের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে রেকর্ড সংখ্যক প্রার্থী আবেদন করেছেন। গত ১ থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন কার্যক্রম শেষ হয়। এ সময়ের মধ্যে ২৪ লাখ ৫টি আবেদন জমা হয়েছে। তার মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৪ লাখ ৫২ হাজার ৭৬০টি, চট্টগ্রাম বিভাগে ৩ লাখ ৮২ হাজার ৩৩৫টি, রাজশাহী বিভাগে ৩ লাখ ৬২ হাজার ৯২৫টি, খুলনা বিভাগে ২ লাখ ৪৮ হাজার ৭৩০টি, বরিশাল বিভাগে ২ লাখ ৫৫ হাজার ৮২৭টি, সিলেট বিভাগে ১ লাখ ২০ হাজার ৬২৩টি, রংপুর বিভাগে ২ লাখ ৯৪ হাজার ৩৬৮টি এবং ময়মনসিংহ বিভাগ থেকে ২ লাখ ৮২ হাজার ৪৩৭টি আবেদন জমা হয়েছে।
ডিপিই সূত্র জানায়, বর্তমানে সারাদেশে প্রায় ৬৪ হাজার ৮২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। তার মধ্যে প্রায় ১২ হাজার সহকারী শিক্ষক পদ শূন্য রয়েছে। এ কারণে নতুন করে আরও ১২ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞাপ্তি প্রকাশ করা হয়। পুরনো নিয়োগ বিধিমালা অনুসরণ করে এ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়। ফলে নারী আবেদনকারীদের ৬০ শতাংশ কোটায় এইচএসসি বা সমমান পাস এবং পুরুষের জন্য ৪০ শতাংশ কোটায় স্নাতক বা সমমান পাস রাখা হয়েছে। লিখিত পরীক্ষায় আসন প্রতি তিনজনকে (একজন পুরুষ ও দুইজন নারী) নির্বাচন করা হবে। মৌখিক পরীক্ষার পর চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হবে।
প্রার্থীরা http://dpe.teletalk.com.bd ওয়েবসাইট থেকে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে পারবেন। ওএমআর শিট পূরণের নির্দেশাবলি এবং পরীক্ষা সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্য ওয়েবসাইটে (www.dpe.gov.bd) পাওয়া যাবে।
Friday, September 14, 2018
প্রাথমিক সহকারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২৬ অক্টোবর!
অনলাইন ডেস্ক
গত ৩০ জুলাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট নিরসনে রাজস্বখাতভুক্ত নতুন করে আরও ১২ হাজার ‘সহকারী শিক্ষক’ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই)। ১ আগস্ট সকাল সাড়ে ১০টা থেকে অনলাইনে আবেদন কার্যক্রম শুরু হয়ে ৩০ আগস্ট শেষ হয়।
ডিপিই সূত্র জানিয়েছে আগামী মাসের শেষ দিকে অনুষ্ঠিত হতে পারে ওই নিয়োগ পরীক্ষা। আগামী ২৬ অক্টোবর শুক্রবার ওই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে জানান নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা।
পরীক্ষার সপ্তাহখানেক আগে এমএমএস করে প্রার্থীদের জানিয়ে দেওয়া হবে। এবং প্রবেশপত্র ডাউনলোডের সময়ও জানিয়ে দেওয়া হবে।
প্রার্থীরা http://dpe.teletalk.com.bd ওয়েবসাইট থেকে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে পারবেন। ওএমআর শিট পূরণের নির্দেশাবলী এবং পরীক্ষা সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্য ওয়েবসাইটে (www.dpe.gov.bd) পাওয়া যাবে।
বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরপরই এ বিষয়ে ডিপিই’র মহাপরিচালক আবু হেনা মোস্তফা কামাল গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, নতুন করে রাজস্ব খাতে প্রায় ১২ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দিতে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। নতুন নিয়োগ বিধিমালার কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় পুরনো নিয়োগ বিধির আলোকে এই নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। সে অনুযায়ী আগের সব বিষয় বহাল থাকবে।
Thursday, September 6, 2018
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফল যেভাবে জানবেন
অনলাইন ডেস্ক
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০১৪’ ফলাফল আজ প্রকাশিত হবে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে ( www.dpe.gov.bd ) ফল পাওয়া যাবে। নির্বাচিত প্রার্থীদের রোল নম্বরের তালিকা ইতোমধ্যে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
জানা গেছে, চলতি মাসের মধ্যেই মনোনীত শিক্ষকদের যোগদান কাযর্ক্রম শেষ করা হবে। শিক্ষক নিয়োগ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. গিয়াস উদ্দিন আহমেদ জানান, এই মাসের মধ্যেই শিক্ষকদের যোগদান কাযর্ক্রম শেষ করা হবে।’
এ ধাপে প্রায় ১০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে বলেও জানান অতিরিক্ত সচিব গিয়াস উদ্দিন।
এদিকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র জানা যায়, রাজস্ব খাতভুক্ত ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০১৪’ দীর্ঘদিন স্থগিত থাকার পর চলতি বছর ২০ এপ্রিল লিখিত পরীক্ষা শুরু হয়। চারটি ধাপে সারাদেশের ৬১টি জেলায় শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
মোট ১৩ লাখ প্রার্থী আবেদন করলেও তার মধ্যে প্রায় সাড়ে ৭ লাখ প্রার্থী লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেন। তার মধ্যে ২৯ হাজার ৫৫৫ জন উত্তীর্ণ হন। নিয়োগ বিধিমালা অনুযায়ী আসন প্রতি তিনজন প্রার্থী লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। তার মধ্যে দুইজন নারী ও একজন পুরুষ প্রার্থীকে নির্বাচন করা হয়।
গত ৮ জুলাই লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়। পরবর্তীতে গত ২৯ জুলাই থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
Monday, September 3, 2018
প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফল ৬ সেপ্টেম্বর
প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফল ৬ সেপ্টেম্বর
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রাজস্ব খাতভুক্ত ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০১৪’ পরীক্ষার ফল প্রকাশের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। ৬ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) এ পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হবে। এছাড়া এ মাসের মধ্যেই মনোনীত শিক্ষকদের যোগদান কার্যক্রম শেষ করা হবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. গিয়াস উদ্দিন আহমেদ জাগো নিউজকে বলেন, ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০১৪’ পরীক্ষার ফল তৈরির কাজ শেষ হয়েছে। ৬ সেপ্টেম্বর এ ফল প্রকাশ করা হতে পারে। এই মাসের মধ্যেই শিক্ষকদের যোগদান কার্যক্রম শেষ করা হবে।’
চূড়ান্ত ফল তৈরির কাজ শেষ হলেও বর্তমানে কোটাধারীদের ফলাফল তৈরি করা হচ্ছে। আগামী দুই-একদিনের মধ্যেই কোটাধারীদের ফল তৈরির কাজ শেষ হবে। বৃহস্পতিবার এই ফল প্রকাশের সময় ধার্য করা হয়েছে। এ ধাপে প্রায় ১০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে বলেও জানান অতিরিক্ত সচিব গিয়াস উদ্দিন।
এদিকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর সূত্র জানায়, রাজস্ব খাতভুক্ত ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০১৪’ দীর্ঘদিন স্থগিত থাকার পর চলতি বছর ২০ এপ্রিল লিখিত পরীক্ষা শুরু হয়। চারটি ধাপে সারা দেশে ৬১টি জেলায় শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। মোট ১৩ লাখ প্রার্থী আবেদন করলেও তার মধ্যে প্রায় সাড়ে ৭ লাখ প্রার্থী লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেয়। তার মধ্যে ২৯ হাজার ৫৫৫ জন উত্তীর্ণ হন। নিয়োগ বিধিমালা অনুযায়ী আসন প্রতি তিনজন প্রার্থী লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। তার মধ্যে দুইজন নারী ও একজন পুরুষ প্রার্থীকে নির্বাচন করা হয়। গত ৮ জুলাই লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়। পরবর্তীতে গত ২৯ জুলাই থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুপ্রেরনা❤️- বেকার ছেলেটির চোখের কোণের জলে ছলছল করছে। বন্ধুর বিসিএস ক্যাডার হওয়ার সংবাদে যতজন টাইমলাইনে অভিনন্দন জানিয়েছে, তার নিজের জন্মদিনে তার অর্ধেকও কেউ এত উইশ করেনি।
আপনি দামি ভার্সিটিতে ফার্স্ট হিসেবে কোয়ালফাইড হলে পত্রিকার শিরোনাম হবেন, ভাল চাকরি পেলে বন্ধুমহলে অভিনন্দিত হবেন, কম্পিটিশনে চ্যাম্পিয়ান হলে আপনার সাথে সেলফি তুলতে সবাই পাগল হয়ে যাবে। আর আপনার যদি এমন কোনো সফলতা না থাকে, তবে কেউ খোঁজ নিতেও আসবে না। এই পৃথিবীটা খুবই স্বার্থপর। সত্যিই স্বার্থপর।
ভার্সিটিতে চান্স না পেলে আপনি রুমের দরজা বন্ধ করে নিজেই কাঁদবেন একা একা, অথচ আপনার বন্ধুটির টাইমলাইনে অভিনন্দন এর বন্যা বয়ে যাবে। চাকরিটা না পেলে বুকের কষ্ট চেপে আপনাকে ঠিকই টিউশনের জন্য দৌঁড়াতে হবে। মন খারাপ করে একদিন টিউশনে না গেলে পরদিন হয়তো সেই টিউশনিটাই থাকবে না। পৃথিবীটা খুব নিষ্টুর। এই পৃথিবী এতটাই নিষ্ঠুর যে, আপনাকে কষ্ট দিবে, আঘাত দিবে, যন্ত্রণা দিবে কিন্তু কান্নার সময়টুকুও দিবেনা।
আপনার নামি অফিসার বন্ধুটি যখন মাস শেষে তার প্রেয়সীর জন্য উপলক্ষ ছাড়াই দামি উপহার কিনছে, আপনি তখন আপনার প্রেয়সীর জন্মদিনের মত বড় উপলক্ষেও দেখা করতে পারছেন না মাসের শেষেও পকেট শুন্য থাকায়। তখনো আপনার পরিচয় শুধু একজন টিউশন মাস্টার। আপনার সেই বন্ধুটি খুবই বন্ধুবৎসল কারণ সে প্রায়ই উপলক্ষ ছাড়াই ট্রিট দেয় দামি রেস্টুরেন্টে। কিন্তু বন্ধুমহলে আপনার পরিচয় একজন হাড় কিপটে। কারণ বেকারত্বের বোঝা কাঁধে নিয়ে শুন্য পকেটে কাউকে ট্রিট দেয়ার সামর্থ্যটুকুও আপনার নেই। বিশ্বাস করেন, কেউ জানতেও চাইবেনা মাসের শেষে টিউশনের সামান্য ক'টা টাকা দিয়ে আপনার জীবনটা আসলেই চলে কি-না। সবাই শুধু আপনার কৃপণতা দেখবে কিন্তু আপনার বেকারত্বের দিকে এত নজর দেয়ার সময় কারো হবেনা। পৃথিবীটা খুবই স্বার্থপর।
বেকার ছেলেটির চোখের কোণের জলে ছলছল করছে। বন্ধুর বিসিএস ক্যাডার হওয়ার সংবাদে যতজন টাইমলাইনে অভিনন্দন জানিয়েছে, তার নিজের জন্মদিনে তার অর্ধেকও কেউ এত উইশ করেনি। পৃথিবীটা সত্যিই স্বার্থপর। আপনার অফিসার বন্ধুটি যখন মায়ের জন্য ১১ হাত লম্বা দামি শাড়ি কিনছে, আপনি তখনো ১১ ইঞ্চি ছোট্ট রুমালে চোখের জল মুছতে ব্যস্ত। কবে একটা চাকরি পাবেন আর মায়ের জন্য শাড়ি কিনবেন। মায়ের বয়স তো ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। দুষ্ট বোনের দুষ্টামীর বয়সটাও পার হয়ে যাচ্ছে। সময় থাকতে যদি তাদের শখগুলো পূরণ করা না যায়, তবে আজীবন পূর্ণতার মাঝেও এক অপূর্ণতা নিয়ে বাঁচতে হবে। একদিন আপনি হয়তো অনেক কিছুই হবেন, কিন্তু আপনার সেই 'অনেক কিছু হওয়াটা ' যদি আপনার মা বাবা দেখে যেতে না পারেন, তবে এর চেয়ে বড় আফসোস আর কী হতে পারে! কারণ আপনি স্বপ্ন কী বুঝার আগেই যারা আপনাকে নিয়ে প্রথম মহাস্বপ্ন দেখেছেন, তারা আপনার মা বাবা।
কষ্ট কি সেই মেয়েটির ও কম, যে কি-না শুধু নিজের একটা আইডেন্টিটি তৈরি করার জন্য এখনো পাত্রপক্ষের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে চলছে। কেউ বলবে মেয়েটির নিশ্চয় কারো সাথে সম্পর্ক আছে, আবার কেউ কেউ মেয়েটির সৌন্দর্য নিয়েও নেগেটিভ কথা বলতে একবার চিন্তা করবে না। অথচ শুধু একটা চাকরির জন্য গ্র্যাজুয়েট মেয়েটিকেও এত কথা শুনতে হয়, ঠিক এতটাই নিষ্টুর কষ্ট মেনে নিতে হয়। পৃথিবীটা আসলেই স্বার্থপর। কেউ মেয়েটির মনের ইচ্ছেটা দেখতেও চাইবেনা। সবাই শুধু দেখবে মেয়েটির বিয়ে হচ্ছে না। অথচ কেউ বুঝবে না, মেয়েটি যে আসলে এখন বিয়ে করতে চাইছে না।
পৃথিবী নিষ্টুর হয়েছে হোক। আপনি কেন নিজের প্রতি নিষ্টুর হবেন? সফল হওয়ার আগ পর্যন্ত আপনাকে ভালোবাসার মত কাউকে পাবেন না। কিন্তু একবার সফল হয়ে গেলে এত বেশি ভালোবাসা পাবেন যে, সব ভালোবাসার রিপ্লাই দেয়ার সময়ও পাবেন না। সফল হওয়ার আগ পর্যন্ত নিজেকে নিজেই ভালোবাসতে হয়। কষ্টের উপর কষ্ট রেখে, দাঁতে দাঁত চেপে জেদ করে শুধু লেগে থাকতে হবে টার্গেট পূরণের আশায়। আজ যারা বলছে "তোমাকে দিয়ে আর কিছুই হবে না ", কাল আপনি সফল হলে পরশু আবার তারাই বলবে "জানতাম তোমাকে দিয়েই হবে "।
প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ - পদ ১২ হাজার, আবেদন ১৯ লাখ!
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার অনলাইন আবেদন কার্যক্রম শেষ হয়েছে গত ৩০ আগস্ট। ১২ হাজার পদের বিপরীতে সারা দেশে প্রায় ১৯ লাখ প্রার্থীর আবেদন জমা পড়েছে বলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) সূত্রে জানা গেছে। প্রতি পদে বিপরীতে প্রার্থী ১৫৮ জন।
এ বিষয়ে ডিপিই মহাপরিচালক আবু হেনা মো. মোস্তফা কামাল জানান, সহকারী শিক্ষক নিয়োগে অনলাইন আবেদন কার্যক্রম শেষ হয়েছে। টেলিটক মোবাইলের মাধ্যমে আবেদন কার্যক্রম পরিচালিত হয়। গত ১ আগস্ট থেকে শুরু হয়ে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত এ আবেদন প্রক্রিয়া চলে। মহাপরিচালক আবু হেনা বলেন, ১২ হাজার সরকারী শিক্ষক নেয়া হলেও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনেকের আগ্রহ থাকায় সারা দেশে ১৮ লাখ ৮৬ হাজার ৯২৭ আবেদন জমা পড়ে। স্বচ্ছতার সঙ্গে এ নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। আগামী এক মাসের মধ্যে লিখিত পরীক্ষার সময় ঘোষণা করা হবে। এ সময়ের মধ্যে প্রার্থীদের প্রবেশপত্র ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য কাজ শেষ করা হবে। ডিপিই ওয়েবসাইটে dpe.teletalk.com.bd প্রবেশপত্র ও যাবতীয় নির্দেশনা দেয়া হবে।
জানা গেছে, দেশের ৬৩ জেলার সরকারি বিদ্যালয়ে ১২ হাজার শিক্ষক নিয়োগে গত ৩০ জুলাই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে ডিপিই। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চাকরিবিধি অনুযায়ী আবেদনের ক্ষেত্রে ১৮-৩০ বছরের মধ্যে বাংলাদেশি নাগরিকরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদের জন্য আবেদন করতে পারবেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে এতে পুরুষদের জন্য স্নাতক বা সমমানের দ্বিতীয়/বিভাগ বা শ্রেণিতে পাস থাকতে হবে। আর নারীদের জন্য উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট বা সমমান পরীক্ষায় নুন্যতম দ্বিতীয়/বিভাগ/সমমানে পাস হতে হবে।
ডিপিই সূত্র জানায়, বর্তমানে সারা দেশে প্রায় ৬৪ হাজার ৮২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। তার মধ্যে প্রায় ১২ হাজার সহকারী শিক্ষক শূন্য রয়েছে। এ কারণে নতুন করে রাজস্বখাতভুক্ত আরও ১২ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। পুরনো নিয়োগ বিধিমালা অনুসরণ করে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। ফলে নারী আবেদনকারীদের ৬০ শতাংশ কোটায় এইচএসসি বা সমমান পাস এবং পুরুষের জন্য ৪০ শতাংশ কোটায় স্নাতক বা সমমান পাস রাখা হয়েছে। লিখিত পরীক্ষায় আসন প্রতি তিনজনকে (একজন পুরুষ ও দুইজন নারী) নির্বাচন করা হবে। ডিপিই’র নিয়োগ শাখার এক কর্মকর্তা জানান, ২০১৪ সালের স্থগিত নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফল সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রকাশ হতে পারে।
Subscribe to:
Posts (Atom)








