আজ ২২ মে, ২০১৮ ইং ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের গ্রন্থাগার ও তথ্যবিজ্ঞান ডিপ্লোমা- ২০১৬ এর ফলাফল প্রকাশ করেছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। এখন পর্যন্ত জানা মতে,এই বর্ষের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ইনস্টিটিউট অব লাইব্রেরি অ্যান্ড ইনফরমেশন সায়েন্স, বরিশাল, এর শিক্ষার্থী সুশান্ত কর্মকার ৭১১ (১০০০ এর মধ্যে) নম্বর পেয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম হয়েছেন। সুশান্ত কর্মকারের রোল নং- ১৫৬২৬০০০৭১১।
Result Link: Click Here for Result
অনেক অপেক্ষার পর আজ ফলাফল প্রকাশের মধ্য দিয়ে তারা অভিশাপ থেকে মুক্তি পেল। ১ বছরের ডিপ্লোমা হওয়া সত্ত্বেও তাদের এই ফলাফল পেতে সময় লেগেছে প্রায় ৩ বছর। যার ফলে অনেকের চাকরির সম্ভাবনা থাকলেও আজ তাঁরা আছেন অনেক ঝুকির মধ্যে। কারণ, এই তিন বছরে অন্যান্য প্রতিষ্ঠান থেকে হাজার হাজার শিক্ষার্থী পাস করে সনদ পেয়ে গেছেন।
এরপর, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও স্যারদের সহযোগীতার মাধ্যমে পরবর্তী শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা একটু আশার আলো দেখলেও এখন তাদের আশার প্রদীপটি নিভু নিভু করছে। কারণ, পরবর্তী ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরাও একই সমস্যার সম্মুখীন। ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করার পরও হাইকোর্টের নির্দেশে পরীক্ষা স্থগিত হয়ে যায়। এই শিক্ষাবর্ষের পরীক্ষা কবে শুরু হবে তা নিয়েও অনিশ্চিয়তা রয়েছে। ২০১৬-১৭ শিক্ষবর্ষের পরীক্ষা স্থগিত হওয়ায় কারণে, ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরাও অনেক বিপাকে রয়েছে। কারণ, আগের বছরের পরীক্ষা না হওয়া পর্যন্ত তাদের পরীক্ষা হবে না। কিন্তু দেখতে দেখতে ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের ক্লাস প্রায় শেষের দিকে। ইদুল-ফিতর এর পর থেকে আবার নতুন শিক্ষাবর্ষ অর্থাৎ ২০১৮-১৯ এর ক্লাস শুরু হবে। যার মাধ্যমে আবারও সেশনজোট এর সম্ভাবনা দেখা দিচ্ছে।
সর্বপরি, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও আমাদের স্যারদের প্রতি আমাদের আকুল আবেদন এই যে, হাই কোর্টের সমস্যার সমাধানের মাধ্যমে দ্রুত আমাদের পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ করে দিবেন।
Search This Blog
Showing posts with label Lis News. Show all posts
Showing posts with label Lis News. Show all posts
Tuesday, May 22, 2018
Friday, April 27, 2018
গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান ডিপ্লোমা'র পরীক্ষা স্থগিত হওয়ার কারণ।
২০১৭ সালের গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান ডিপ্লোমা ১ম ও ২য় সেমিস্টার পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। এটার মূল কারণ হল ২৫০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষার প্রবেশপত্র পাই নি। দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিমকোর্ট এর আপিল বিভাগের আদেশ থাকা সত্তেও "গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান ডিপ্লোমা" পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার জন্য ২৫০ জন প্রবেশপত্র ও নিবন্ধনপত্র দেয়নি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। ফলে তারা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারছে না। গত রবিবার (২২ এপ্রিল) সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতি ভবনে আইন, বিচার, সংবিধান ও মানবাধিকার বিষায়ক সাংবাদিকদের ল' রিপোর্টারস ফোরাম (এল আর এফ) কার্যালয়ের এক সংবাদ সম্মেলন এ এই অভিযোগ করেন এসবি সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি কলেজের অধ্যক্ষ আল ফারাবি মোঃ নরুল ইসলাম।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ২০০০ সালে এই কলেজের যাত্রা শুরু করার পর থেকে ১৫ টি ব্যাচ পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ২০১৭ সালে এই কলেজে অনলাইন কোড বন্ধ করে দেয়। এতে এই সেশন এ ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় অংশ নেওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে একটা রিট করা হয়। হাইকোর্ট বিভাগ ২০১৭ সালের ১০ সেপ্টেম্বর রুলস সহ একটা আদেশ দেন। সেই আদেশে এই ২৫০ জন শিক্ষার্থীকে নিবন্ধন ও প্রবেশপত্র দিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার সুযোগ করে দেন।
জাবি এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করলেও তা খারিজ করে দেন। তিনি আরো বলেন, জাবি এই ২৫০ জন শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নেওয়ার জন্য আশ্বাস দেন। পূর্ব সূচি অনুযায়ী গত ২৪ এপ্রলি থেকে এই ব্যাচের পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও তাদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার সুযোগ দেওয়া হয় নি।
তাই এসকল শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। তাই আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়নে শিক্ষামন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
পরে জাবি এর আইন শাখার ডিপুটি রেজিস্টার সিদ্দিকুর রহমানের কাছে এই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের আইনজীবীর কাছ থেকে জেনেছি হাইকোর্ট একটি সংক্রান্ত সম্পূরক আবেদনের বিষয়ে আগামী সোমবার আদেশের জন্য রেখেছেন। সেই আদেশ আমাদের সেভাবে নির্দেশনা দিবে আমরা সেভাবে তা বাস্তবায়ন এর জন্য কাজ করব।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ২০০০ সালে এই কলেজের যাত্রা শুরু করার পর থেকে ১৫ টি ব্যাচ পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ২০১৭ সালে এই কলেজে অনলাইন কোড বন্ধ করে দেয়। এতে এই সেশন এ ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় অংশ নেওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে একটা রিট করা হয়। হাইকোর্ট বিভাগ ২০১৭ সালের ১০ সেপ্টেম্বর রুলস সহ একটা আদেশ দেন। সেই আদেশে এই ২৫০ জন শিক্ষার্থীকে নিবন্ধন ও প্রবেশপত্র দিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার সুযোগ করে দেন।
জাবি এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করলেও তা খারিজ করে দেন। তিনি আরো বলেন, জাবি এই ২৫০ জন শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নেওয়ার জন্য আশ্বাস দেন। পূর্ব সূচি অনুযায়ী গত ২৪ এপ্রলি থেকে এই ব্যাচের পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও তাদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার সুযোগ দেওয়া হয় নি।
তাই এসকল শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। তাই আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়নে শিক্ষামন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
পরে জাবি এর আইন শাখার ডিপুটি রেজিস্টার সিদ্দিকুর রহমানের কাছে এই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের আইনজীবীর কাছ থেকে জেনেছি হাইকোর্ট একটি সংক্রান্ত সম্পূরক আবেদনের বিষয়ে আগামী সোমবার আদেশের জন্য রেখেছেন। সেই আদেশ আমাদের সেভাবে নির্দেশনা দিবে আমরা সেভাবে তা বাস্তবায়ন এর জন্য কাজ করব।
Thursday, April 26, 2018
6 Educational Institutes’ affiliation cancelled National University
6 Educational Institutes’ affiliation cancelled
National University
The affiliation of six educational institutions under the National University (NU) has been cancelled as they failed to fulfill the required conditions.
The decision, which was taken in the 144th syndicate meeting as per recommendations of the 79th academic council, was disclosed in a press release on Wednesday.
The release said that the affiliation of six educational institutions has been cancelled for their failure to meet required conditions.
The institutions are SB Science and Technology of Bogra, Bogra THBP and College, Bogra BP Advocate College, Bogra Library Science College, Institute of Library Arts of Khulna and Institute of Library and Information Science of Chittagong.
National University
The affiliation of six educational institutions under the National University (NU) has been cancelled as they failed to fulfill the required conditions.
The decision, which was taken in the 144th syndicate meeting as per recommendations of the 79th academic council, was disclosed in a press release on Wednesday.
The release said that the affiliation of six educational institutions has been cancelled for their failure to meet required conditions.
The institutions are SB Science and Technology of Bogra, Bogra THBP and College, Bogra BP Advocate College, Bogra Library Science College, Institute of Library Arts of Khulna and Institute of Library and Information Science of Chittagong.
Subscribe to:
Posts (Atom)

