Search This Blog
Monday, September 17, 2018
প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে লিখিত পরীক্ষা অক্টোবরে বিস্তারিত
প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে লিখিত পরীক্ষা অক্টোবরে
>> এবার সর্বোচ্চ আবেদন ২৪ লাখ ৫টি
>> প্রতি আসনে লড়বেন ২০০ জন
>> ডিসেম্বরের মধ্যে মৌখিক পরীক্ষা
>> নিয়োগ কার্যক্রম শেষ হবে আগামী বছর
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘সহকারী শিক্ষক’ হিসেবে নিয়োগ পেতে ২৪ লাখ ৫ জন প্রার্থী অাবেদন করেছেন। সারাদেশে ১২ হাজার আসনের বিপরীতে এই চাকরি প্রত্যাশীরা পরীক্ষা যুদ্ধে বসবেন। অর্থাৎ প্রতি আসনে লড়বেন ২০০ জন। চলতি বছরের ১৯ থেকে ২৬ অক্টোরের মধ্যে লিখিত (এসসিকিউ) পরীক্ষা আয়োজনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। ডিসেম্বরের মধ্যে মৌখিক পরীক্ষা শেষ হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
এ বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. এ এফ এম মনজুর কাদির জাগো নিউজকে বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট নিরসনে প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্প-৪ (পিইডিপি-৪) আওতাভুক্ত ১২ হাজার শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। গত ৩০ জুলাই এই ‘সহকারী শিক্ষক’ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। গত ১ আগস্ট থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন কার্যক্রম শেষ হয়। সারাদেশ থেকে মোট ২৪ লাখ ৫টি আবেদন এসেছে।
তিনি বলেন, আগামী ১৯ থেকে ২৬ অক্টোবরের মধ্যে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজন করতে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আগামী সপ্তাহে এ সংক্রান্ত একটি সভা হওয়ার কথা আছে। সেখানে পরীক্ষার দিন, সময় নির্ধারণ করা হবে। অক্টোবর মাসে লিখিত পরীক্ষা আয়োজন করা হলে ডিসেম্বরের মধ্যে মৌখিক পরীক্ষা শেষ করা হবে। পাস করা যোগ্য প্রার্থীদের পরবর্তী বছরের শুরুতে নিয়োগ দেয়া হবে।
এদিকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) সূত্রে জানা গেছে, অন্যান্য বারের চাইতে ২০১৮ সালের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে রেকর্ড সংখ্যক প্রার্থী আবেদন করেছেন। গত ১ থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন কার্যক্রম শেষ হয়। এ সময়ের মধ্যে ২৪ লাখ ৫টি আবেদন জমা হয়েছে। তার মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৪ লাখ ৫২ হাজার ৭৬০টি, চট্টগ্রাম বিভাগে ৩ লাখ ৮২ হাজার ৩৩৫টি, রাজশাহী বিভাগে ৩ লাখ ৬২ হাজার ৯২৫টি, খুলনা বিভাগে ২ লাখ ৪৮ হাজার ৭৩০টি, বরিশাল বিভাগে ২ লাখ ৫৫ হাজার ৮২৭টি, সিলেট বিভাগে ১ লাখ ২০ হাজার ৬২৩টি, রংপুর বিভাগে ২ লাখ ৯৪ হাজার ৩৬৮টি এবং ময়মনসিংহ বিভাগ থেকে ২ লাখ ৮২ হাজার ৪৩৭টি আবেদন জমা হয়েছে।
ডিপিই সূত্র জানায়, বর্তমানে সারাদেশে প্রায় ৬৪ হাজার ৮২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। তার মধ্যে প্রায় ১২ হাজার সহকারী শিক্ষক পদ শূন্য রয়েছে। এ কারণে নতুন করে আরও ১২ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞাপ্তি প্রকাশ করা হয়। পুরনো নিয়োগ বিধিমালা অনুসরণ করে এ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়। ফলে নারী আবেদনকারীদের ৬০ শতাংশ কোটায় এইচএসসি বা সমমান পাস এবং পুরুষের জন্য ৪০ শতাংশ কোটায় স্নাতক বা সমমান পাস রাখা হয়েছে। লিখিত পরীক্ষায় আসন প্রতি তিনজনকে (একজন পুরুষ ও দুইজন নারী) নির্বাচন করা হবে। মৌখিক পরীক্ষার পর চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হবে।
প্রার্থীরা http://dpe.teletalk.com.bd ওয়েবসাইট থেকে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে পারবেন। ওএমআর শিট পূরণের নির্দেশাবলি এবং পরীক্ষা সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্য ওয়েবসাইটে (www.dpe.gov.bd) পাওয়া যাবে।
Friday, September 14, 2018
প্রাথমিক সহকারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২৬ অক্টোবর!
অনলাইন ডেস্ক
গত ৩০ জুলাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট নিরসনে রাজস্বখাতভুক্ত নতুন করে আরও ১২ হাজার ‘সহকারী শিক্ষক’ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই)। ১ আগস্ট সকাল সাড়ে ১০টা থেকে অনলাইনে আবেদন কার্যক্রম শুরু হয়ে ৩০ আগস্ট শেষ হয়।
ডিপিই সূত্র জানিয়েছে আগামী মাসের শেষ দিকে অনুষ্ঠিত হতে পারে ওই নিয়োগ পরীক্ষা। আগামী ২৬ অক্টোবর শুক্রবার ওই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে জানান নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা।
পরীক্ষার সপ্তাহখানেক আগে এমএমএস করে প্রার্থীদের জানিয়ে দেওয়া হবে। এবং প্রবেশপত্র ডাউনলোডের সময়ও জানিয়ে দেওয়া হবে।
প্রার্থীরা http://dpe.teletalk.com.bd ওয়েবসাইট থেকে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে পারবেন। ওএমআর শিট পূরণের নির্দেশাবলী এবং পরীক্ষা সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্য ওয়েবসাইটে (www.dpe.gov.bd) পাওয়া যাবে।
বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরপরই এ বিষয়ে ডিপিই’র মহাপরিচালক আবু হেনা মোস্তফা কামাল গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, নতুন করে রাজস্ব খাতে প্রায় ১২ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দিতে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। নতুন নিয়োগ বিধিমালার কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় পুরনো নিয়োগ বিধির আলোকে এই নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। সে অনুযায়ী আগের সব বিষয় বহাল থাকবে।
Thursday, September 6, 2018
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফল যেভাবে জানবেন
অনলাইন ডেস্ক
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০১৪’ ফলাফল আজ প্রকাশিত হবে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে ( www.dpe.gov.bd ) ফল পাওয়া যাবে। নির্বাচিত প্রার্থীদের রোল নম্বরের তালিকা ইতোমধ্যে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
জানা গেছে, চলতি মাসের মধ্যেই মনোনীত শিক্ষকদের যোগদান কাযর্ক্রম শেষ করা হবে। শিক্ষক নিয়োগ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. গিয়াস উদ্দিন আহমেদ জানান, এই মাসের মধ্যেই শিক্ষকদের যোগদান কাযর্ক্রম শেষ করা হবে।’
এ ধাপে প্রায় ১০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে বলেও জানান অতিরিক্ত সচিব গিয়াস উদ্দিন।
এদিকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র জানা যায়, রাজস্ব খাতভুক্ত ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০১৪’ দীর্ঘদিন স্থগিত থাকার পর চলতি বছর ২০ এপ্রিল লিখিত পরীক্ষা শুরু হয়। চারটি ধাপে সারাদেশের ৬১টি জেলায় শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
মোট ১৩ লাখ প্রার্থী আবেদন করলেও তার মধ্যে প্রায় সাড়ে ৭ লাখ প্রার্থী লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেন। তার মধ্যে ২৯ হাজার ৫৫৫ জন উত্তীর্ণ হন। নিয়োগ বিধিমালা অনুযায়ী আসন প্রতি তিনজন প্রার্থী লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। তার মধ্যে দুইজন নারী ও একজন পুরুষ প্রার্থীকে নির্বাচন করা হয়।
গত ৮ জুলাই লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়। পরবর্তীতে গত ২৯ জুলাই থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
Monday, September 3, 2018
প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফল ৬ সেপ্টেম্বর
প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফল ৬ সেপ্টেম্বর
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রাজস্ব খাতভুক্ত ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০১৪’ পরীক্ষার ফল প্রকাশের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। ৬ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) এ পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হবে। এছাড়া এ মাসের মধ্যেই মনোনীত শিক্ষকদের যোগদান কার্যক্রম শেষ করা হবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. গিয়াস উদ্দিন আহমেদ জাগো নিউজকে বলেন, ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০১৪’ পরীক্ষার ফল তৈরির কাজ শেষ হয়েছে। ৬ সেপ্টেম্বর এ ফল প্রকাশ করা হতে পারে। এই মাসের মধ্যেই শিক্ষকদের যোগদান কার্যক্রম শেষ করা হবে।’
চূড়ান্ত ফল তৈরির কাজ শেষ হলেও বর্তমানে কোটাধারীদের ফলাফল তৈরি করা হচ্ছে। আগামী দুই-একদিনের মধ্যেই কোটাধারীদের ফল তৈরির কাজ শেষ হবে। বৃহস্পতিবার এই ফল প্রকাশের সময় ধার্য করা হয়েছে। এ ধাপে প্রায় ১০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে বলেও জানান অতিরিক্ত সচিব গিয়াস উদ্দিন।
এদিকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর সূত্র জানায়, রাজস্ব খাতভুক্ত ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০১৪’ দীর্ঘদিন স্থগিত থাকার পর চলতি বছর ২০ এপ্রিল লিখিত পরীক্ষা শুরু হয়। চারটি ধাপে সারা দেশে ৬১টি জেলায় শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। মোট ১৩ লাখ প্রার্থী আবেদন করলেও তার মধ্যে প্রায় সাড়ে ৭ লাখ প্রার্থী লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেয়। তার মধ্যে ২৯ হাজার ৫৫৫ জন উত্তীর্ণ হন। নিয়োগ বিধিমালা অনুযায়ী আসন প্রতি তিনজন প্রার্থী লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। তার মধ্যে দুইজন নারী ও একজন পুরুষ প্রার্থীকে নির্বাচন করা হয়। গত ৮ জুলাই লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়। পরবর্তীতে গত ২৯ জুলাই থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুপ্রেরনা❤️- বেকার ছেলেটির চোখের কোণের জলে ছলছল করছে। বন্ধুর বিসিএস ক্যাডার হওয়ার সংবাদে যতজন টাইমলাইনে অভিনন্দন জানিয়েছে, তার নিজের জন্মদিনে তার অর্ধেকও কেউ এত উইশ করেনি।
আপনি দামি ভার্সিটিতে ফার্স্ট হিসেবে কোয়ালফাইড হলে পত্রিকার শিরোনাম হবেন, ভাল চাকরি পেলে বন্ধুমহলে অভিনন্দিত হবেন, কম্পিটিশনে চ্যাম্পিয়ান হলে আপনার সাথে সেলফি তুলতে সবাই পাগল হয়ে যাবে। আর আপনার যদি এমন কোনো সফলতা না থাকে, তবে কেউ খোঁজ নিতেও আসবে না। এই পৃথিবীটা খুবই স্বার্থপর। সত্যিই স্বার্থপর।
ভার্সিটিতে চান্স না পেলে আপনি রুমের দরজা বন্ধ করে নিজেই কাঁদবেন একা একা, অথচ আপনার বন্ধুটির টাইমলাইনে অভিনন্দন এর বন্যা বয়ে যাবে। চাকরিটা না পেলে বুকের কষ্ট চেপে আপনাকে ঠিকই টিউশনের জন্য দৌঁড়াতে হবে। মন খারাপ করে একদিন টিউশনে না গেলে পরদিন হয়তো সেই টিউশনিটাই থাকবে না। পৃথিবীটা খুব নিষ্টুর। এই পৃথিবী এতটাই নিষ্ঠুর যে, আপনাকে কষ্ট দিবে, আঘাত দিবে, যন্ত্রণা দিবে কিন্তু কান্নার সময়টুকুও দিবেনা।
আপনার নামি অফিসার বন্ধুটি যখন মাস শেষে তার প্রেয়সীর জন্য উপলক্ষ ছাড়াই দামি উপহার কিনছে, আপনি তখন আপনার প্রেয়সীর জন্মদিনের মত বড় উপলক্ষেও দেখা করতে পারছেন না মাসের শেষেও পকেট শুন্য থাকায়। তখনো আপনার পরিচয় শুধু একজন টিউশন মাস্টার। আপনার সেই বন্ধুটি খুবই বন্ধুবৎসল কারণ সে প্রায়ই উপলক্ষ ছাড়াই ট্রিট দেয় দামি রেস্টুরেন্টে। কিন্তু বন্ধুমহলে আপনার পরিচয় একজন হাড় কিপটে। কারণ বেকারত্বের বোঝা কাঁধে নিয়ে শুন্য পকেটে কাউকে ট্রিট দেয়ার সামর্থ্যটুকুও আপনার নেই। বিশ্বাস করেন, কেউ জানতেও চাইবেনা মাসের শেষে টিউশনের সামান্য ক'টা টাকা দিয়ে আপনার জীবনটা আসলেই চলে কি-না। সবাই শুধু আপনার কৃপণতা দেখবে কিন্তু আপনার বেকারত্বের দিকে এত নজর দেয়ার সময় কারো হবেনা। পৃথিবীটা খুবই স্বার্থপর।
বেকার ছেলেটির চোখের কোণের জলে ছলছল করছে। বন্ধুর বিসিএস ক্যাডার হওয়ার সংবাদে যতজন টাইমলাইনে অভিনন্দন জানিয়েছে, তার নিজের জন্মদিনে তার অর্ধেকও কেউ এত উইশ করেনি। পৃথিবীটা সত্যিই স্বার্থপর। আপনার অফিসার বন্ধুটি যখন মায়ের জন্য ১১ হাত লম্বা দামি শাড়ি কিনছে, আপনি তখনো ১১ ইঞ্চি ছোট্ট রুমালে চোখের জল মুছতে ব্যস্ত। কবে একটা চাকরি পাবেন আর মায়ের জন্য শাড়ি কিনবেন। মায়ের বয়স তো ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। দুষ্ট বোনের দুষ্টামীর বয়সটাও পার হয়ে যাচ্ছে। সময় থাকতে যদি তাদের শখগুলো পূরণ করা না যায়, তবে আজীবন পূর্ণতার মাঝেও এক অপূর্ণতা নিয়ে বাঁচতে হবে। একদিন আপনি হয়তো অনেক কিছুই হবেন, কিন্তু আপনার সেই 'অনেক কিছু হওয়াটা ' যদি আপনার মা বাবা দেখে যেতে না পারেন, তবে এর চেয়ে বড় আফসোস আর কী হতে পারে! কারণ আপনি স্বপ্ন কী বুঝার আগেই যারা আপনাকে নিয়ে প্রথম মহাস্বপ্ন দেখেছেন, তারা আপনার মা বাবা।
কষ্ট কি সেই মেয়েটির ও কম, যে কি-না শুধু নিজের একটা আইডেন্টিটি তৈরি করার জন্য এখনো পাত্রপক্ষের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে চলছে। কেউ বলবে মেয়েটির নিশ্চয় কারো সাথে সম্পর্ক আছে, আবার কেউ কেউ মেয়েটির সৌন্দর্য নিয়েও নেগেটিভ কথা বলতে একবার চিন্তা করবে না। অথচ শুধু একটা চাকরির জন্য গ্র্যাজুয়েট মেয়েটিকেও এত কথা শুনতে হয়, ঠিক এতটাই নিষ্টুর কষ্ট মেনে নিতে হয়। পৃথিবীটা আসলেই স্বার্থপর। কেউ মেয়েটির মনের ইচ্ছেটা দেখতেও চাইবেনা। সবাই শুধু দেখবে মেয়েটির বিয়ে হচ্ছে না। অথচ কেউ বুঝবে না, মেয়েটি যে আসলে এখন বিয়ে করতে চাইছে না।
পৃথিবী নিষ্টুর হয়েছে হোক। আপনি কেন নিজের প্রতি নিষ্টুর হবেন? সফল হওয়ার আগ পর্যন্ত আপনাকে ভালোবাসার মত কাউকে পাবেন না। কিন্তু একবার সফল হয়ে গেলে এত বেশি ভালোবাসা পাবেন যে, সব ভালোবাসার রিপ্লাই দেয়ার সময়ও পাবেন না। সফল হওয়ার আগ পর্যন্ত নিজেকে নিজেই ভালোবাসতে হয়। কষ্টের উপর কষ্ট রেখে, দাঁতে দাঁত চেপে জেদ করে শুধু লেগে থাকতে হবে টার্গেট পূরণের আশায়। আজ যারা বলছে "তোমাকে দিয়ে আর কিছুই হবে না ", কাল আপনি সফল হলে পরশু আবার তারাই বলবে "জানতাম তোমাকে দিয়েই হবে "।
প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ - পদ ১২ হাজার, আবেদন ১৯ লাখ!
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার অনলাইন আবেদন কার্যক্রম শেষ হয়েছে গত ৩০ আগস্ট। ১২ হাজার পদের বিপরীতে সারা দেশে প্রায় ১৯ লাখ প্রার্থীর আবেদন জমা পড়েছে বলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) সূত্রে জানা গেছে। প্রতি পদে বিপরীতে প্রার্থী ১৫৮ জন।
এ বিষয়ে ডিপিই মহাপরিচালক আবু হেনা মো. মোস্তফা কামাল জানান, সহকারী শিক্ষক নিয়োগে অনলাইন আবেদন কার্যক্রম শেষ হয়েছে। টেলিটক মোবাইলের মাধ্যমে আবেদন কার্যক্রম পরিচালিত হয়। গত ১ আগস্ট থেকে শুরু হয়ে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত এ আবেদন প্রক্রিয়া চলে। মহাপরিচালক আবু হেনা বলেন, ১২ হাজার সরকারী শিক্ষক নেয়া হলেও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনেকের আগ্রহ থাকায় সারা দেশে ১৮ লাখ ৮৬ হাজার ৯২৭ আবেদন জমা পড়ে। স্বচ্ছতার সঙ্গে এ নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। আগামী এক মাসের মধ্যে লিখিত পরীক্ষার সময় ঘোষণা করা হবে। এ সময়ের মধ্যে প্রার্থীদের প্রবেশপত্র ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য কাজ শেষ করা হবে। ডিপিই ওয়েবসাইটে dpe.teletalk.com.bd প্রবেশপত্র ও যাবতীয় নির্দেশনা দেয়া হবে।
জানা গেছে, দেশের ৬৩ জেলার সরকারি বিদ্যালয়ে ১২ হাজার শিক্ষক নিয়োগে গত ৩০ জুলাই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে ডিপিই। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চাকরিবিধি অনুযায়ী আবেদনের ক্ষেত্রে ১৮-৩০ বছরের মধ্যে বাংলাদেশি নাগরিকরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদের জন্য আবেদন করতে পারবেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে এতে পুরুষদের জন্য স্নাতক বা সমমানের দ্বিতীয়/বিভাগ বা শ্রেণিতে পাস থাকতে হবে। আর নারীদের জন্য উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট বা সমমান পরীক্ষায় নুন্যতম দ্বিতীয়/বিভাগ/সমমানে পাস হতে হবে।
ডিপিই সূত্র জানায়, বর্তমানে সারা দেশে প্রায় ৬৪ হাজার ৮২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। তার মধ্যে প্রায় ১২ হাজার সহকারী শিক্ষক শূন্য রয়েছে। এ কারণে নতুন করে রাজস্বখাতভুক্ত আরও ১২ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। পুরনো নিয়োগ বিধিমালা অনুসরণ করে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। ফলে নারী আবেদনকারীদের ৬০ শতাংশ কোটায় এইচএসসি বা সমমান পাস এবং পুরুষের জন্য ৪০ শতাংশ কোটায় স্নাতক বা সমমান পাস রাখা হয়েছে। লিখিত পরীক্ষায় আসন প্রতি তিনজনকে (একজন পুরুষ ও দুইজন নারী) নির্বাচন করা হবে। ডিপিই’র নিয়োগ শাখার এক কর্মকর্তা জানান, ২০১৪ সালের স্থগিত নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফল সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রকাশ হতে পারে।
Thursday, August 30, 2018
জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ
পহেলা নভেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা। চলবে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত। বৃহস্পতিবার আন্তঃশিক্ষাবোর্ড থেকে এ পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে।
সময়সূচিতে দেখা গেছে, আগামী নভেম্বর শুরু হবে জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা। এদিন বাংলা ও বাংলা ১ম পত্র (অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রযোজ্য), ৩ নভেম্বর বাংলা-২ পত্র (অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের জন্যও প্রযোজ্য), ৪ নভেম্বর ইংরেজি ও ইংরেজি ১ম পত্র (অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রযোজ্য), ৫ নভেম্বর ইংরেজি ২য় পত্র (অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রযোজ্য), ৮ নভেম্বর গণিত, ১০ নভেম্বর বিজ্ঞান, ১১ নভেম্বর কর্ম ও জীবনমুখী শিক্ষা (অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রযোজ্য), ১২ নভেম্বর বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, ১৩ নভেম্বর কৃষি শিক্ষা, গার্হস্থ্য বিজ্ঞান, আরবি সংস্কৃত, পালি ও শারীরিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্য (অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রযোজ্য) ১৪ নভেম্বর ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা, হিন্দুধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা, বৌদ্ধধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা ও খ্রিস্টধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা এবং ১৫ নভেম্বর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ও চারু ও কারুকলা (অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রযোজ্য) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
Wednesday, August 29, 2018
খাদ্য অধিদপ্তরে ১,১৬৬ পদে লড়াই ১৩,৭৮,০০০ জনের
খাদ্য অধিদপ্তর ২৪ ধরনের (ক্যাটাগরি)
এক হাজার ১৬৬টি শূন্য পদের বিপরীতে
দরখাস্ত আহ্বান করেছিল গত ১১ জুলাই।
আবেদন করার শেষ দিন ছিল গত ১৪
আগস্ট।
সেই দিন পর্যন্ত এসব পদের বিপরীতে
আবেদন করেছেন ১৩ লাখ ৭৮ হাজার
৯২৩ জন। অর্থাৎ প্রতি পদের বিপরীতে
গড়ে আবেদন করেছেন প্রায় এক হাজার
১৮২ জন। সব আবেদনকারীকেই লিখিত
পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য ডাকা
হবে।
খাদ্য অধিদপ্তরের পরিচালক প্রশাসন এ
কে এম ফজলুর রহমান কালের কণ্ঠকে
বলেন, ‘এতসংখ্যক প্রার্থীর লিখিত
পরীক্ষা নেওয়ার সাধ্য আমাদের নেই।
তাই এসব প্রার্থীর লিখিত পরীক্ষা
নেওয়ার জন্য আমরা ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন
ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ প্রকৌশল
বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ও মিলিটারি
ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড
টেকনোলজির (এমআইএসটি) সঙ্গে
যোগাযোগ করছি। এই তিন
প্রতিষ্ঠানের যেকোনো একটিকে
পরীক্ষা গ্রহণের দায়িত্ব দেওয়া হবে।
লিখিত পরীক্ষা হবে ১০০ নম্বরের। আর
মৌখিক পরীক্ষা হবে মাত্র ১০
নম্বরের। খুব শিগগিরই লিখিত পরীক্ষা
নেওয়া হবে।
’
খাদ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা
জানিয়েছেন, ২৪ ধরনের পদের মধ্যে
সবচেয়ে বেশি পদ অ্যাসিস্ট্যান্ট
সাব-ইন্সপেক্টর বা এএসআই। এর ২৭৪টি
শূন্য পদের বিপরীতে আবেদন পড়েছে
ছয় লাখ ৩৩ হাজার ৯৫২টি। এএসআইয়ের
প্রতিটি পদের জন্য লড়বেন দুই হাজার
৩১৩ জন। এর পরই রয়েছে সাব-ইন্সপেক্টর
বা এসআই পদ। এর ২৫০টি পদের জন্য
প্রতিযোগিতা করবেন চার লাখ ১১
হাজার ৮৯৬ জন। অর্থাৎ প্রতিটি পদের
জন্য লড়বেন এক হাজার ৬৪৭ জন।
জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞ মোহাম্মদ
ফিরোজ মিয়া কালের কণ্ঠকে বলেন,
“একেকটি পদের বিপরীতে এত
বিপুলসংখ্যক আবেদনের কারণ হচ্ছে ঘুষ।
খাদ্য অধিদপ্তরের প্রতিটি পদেই
‘উপরি’ আছে। এ পদগুলো তৃতীয় শ্রেণির
হওয়ায় শিক্ষাগত যোগ্যতা কম চাওয়া
হয়েছে। এ জন্য আবেদনকারীদের
সংখ্যা বেশি। বিসিএস (বাংলাদেশ
সিভিল সার্ভিস) পরীক্ষায়
হাইকোয়ালিটির লোক চাওয়া হয়।
তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতাও চাওয়া
হয় বেশি। সে জন্য বিসিএসে এক পদের
বিপরীতে আবেদনকারীর সংখ্যা এত
বেশি হয় না। ” দেশে বেকারের
মিছিল কমাতে হলে কারিগরি
শিক্ষার প্রসার ঘটাতে হবে বলে
তিনি মনে করেন।
নাম প্রকাশ না করে খাদ্য অধিদপ্তরের
একজন কর্মকর্তা কালের কণ্ঠকে বলেন,
‘খাদ্য অধিদপ্তরের সবাই অবৈধভাবে
পয়সা কামাই করে না। কিছু পদে
অফিসিয়ালভাবেই কিছু টাকা আয় হয়।
চাল বা গম জাতীয় খাদ্য চলাচলে ১.২৫
শতাংশ নষ্ট হবে—এটা স্বীকৃত। কিন্তু
যারা নির্দিষ্ট মাত্রার চেয়ে কম
খাদ্য নষ্ট করে সেই টাকাটা তারা
বৈধভাবেই পায়। একইভাবে যারা
গুদামে কাজ করে তাদেরও
বৈধভাবেই বেতনের অতিরিক্ত
টাকা আয় করার সুযোগ রয়েছে। তার
পরও খাদ্য অধিদপ্তরের বদনাম রয়েছে।
তার কারণও আছে। ফুড ইন্সপেক্টররা
পদোন্নতি পেয়েও উপজেলায় বসতে
চান না। কারণ উপজেলায় ঘুষ নেই। ঘুষ
আছে ফুড সাব ইন্সপেক্টর বা
অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব ইন্সপেক্টর পদে। ’
এই কর্মকর্তা মনে করেন, অন্যবারের
মতো এবার নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক কম
হবে। কারণ গত নিয়োগে যে দুর্নীতি
হয়েছে তা নিয়ে মামলা চলছে।
এখনো খাদ্য অধিদপ্তরের সাবেক
পরিচালকরা দুর্নীতি দমন কমিশনে
নিয়মিত হাজিরা দিয়ে যাচ্ছেন।
তাঁদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলাও
দায়ের হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (পিএসসি)
একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গত বছর
ডিসেম্বরে ৩৮তম বিসিএসে দুই
হাজার ২৪টি পদের জন্য আবেদন
করেছিলেন তিন লাখ ৮৯ হাজার ৪৬৮
জন। প্রতিটি পদের জন্য লড়েছিলেন
১৯২ জন। ২০১৬ সালের ৩৭তম বিসিএসে
প্রতিটি পদের জন্য লড়েছেন ১৯৯ জন।
খাদ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, ফুড
ইন্সপেক্টর ও সাব ইন্সপেক্টর পদ ছাড়াও
আরো ২২ ধরনের পদে জনবল নিয়োগ
হচ্ছে। এগুলোর মধ্যে স্টেনোগ্রাফার
কাম কম্পিউটার অপারেটরের আটটি
পদের বিপরীতে আবেদন করেছেন এক
হাজার ৮৩৪৩ জন। স্টেনো টাইপিস্ট
কাম কম্পিউটার অপারেটরের ১৫টি
পদের জন্য দুই হাজার ৪৩৪টি। এ ছাড়া
৩১টি আপার ডিভিশন অ্যাসিস্ট্যান্ট
পদের জন্য ৪২ হাজার ৬০৪টি, ১৬টি
অডিটর পদের জন্য ২৫ হাজার ৫৩৯টি,
ছয়টি অ্যাসিস্ট্যান্ট কাম ক্যাশিয়ার
পদের জন্য তিন হাজার ৮০৬টি, দুটি
ল্যাবরেটরি ট্যাকনিশিয়ান পদের জন্য
৪১৮টি, একটি ফোরম্যান পদের জন্য
৩০৭টি, দুটি মেকানিক্যাল ফোরম্যান
পদের জন্য ২৭১টি, ২০টি অপারেটর
পদের জন্য ৩০৬টি, ৯টি
ইলেকট্রিশিয়ান পদের জন্য এক হাজার
১৯৫টি, একটি ভেহিক্যাল
ইলেকট্রিশিয়ান পদের জন্য ১৭টি,
তিনটি অ্যাসিস্ট্যান্ট ফোরম্যানের
জন্য ৮৯টি, তিনটি মিল রাইট পদের জন্য
৬৫টি, ৪০২টি অফিস অ্যাসিস্ট্যান্ট
কাম কম্পিউটার টাইপিস্ট পদের জন্য দুই
লাখ ২৪ হাজার ৬৩০টি, ছয়টি ডাটা
এন্ট্রি অপারেটর পদের জন্য এক হাজার
৪৭৬টি, আটটি ল্যাবরেটরি
অ্যাসিস্ট্যান্ট পদের জন্য দুই হাজার
৮০৭টি, ১১টি অ্যাসিস্ট্যান্ট পদের জন্য
৮১টি, ছয়টি সর্দার পদের জন্য ১৫টি,
চারটি ভেহিক্যাল মেকানিক পদের
জন্য ১৯টি, পাঁচটি অ্যাসিস্ট্যান্ট মিল
রাইটের জন্য ৪৬৫টি, ৫৬টি সাইলো
অপারেটর পদের জন্য ৪৬৫টি এবং ২৭টি
স্প্রেম্যান পদের জন্য ২৪ হাজার ৬৭৫টি
আবেদন জমা পড়েছে।
Tuesday, August 28, 2018
মাদরাসার জনবল কাঠামো ও এমপিওতে অসামঞ্জস্য
মাদরাসার সহকারী মৌলভি পদে ১২ ও ১০ বছর অভিজ্ঞতা থাকার বিধান রয়েছে।
অথচ আলিম মাদরাসার প্রভাষকরা (আরবি), যাদের স্কেল ২৯,০০০ টাকা তারা আলিম মাদরাসায় উক্ত পদে যতদিন চাকরি করুন, উপাধ্যক্ষ বা অধ্যক্ষ হতে পারবে না--এটা বড়ই নির্মম ও অবমাননাকর এবং অবমূল্যায়ন। দাখিল মাদরাসার সহ-সুপার আলিম মাদরাসার উপাধ্যক্ষ হতে পারবে আর প্রভাষক তার অধীনে চাকরি করবেন, আবার দাখিল মাদরাসার সুপার আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষ হতে পারবেন, অথচ আলিম প্রভাষক হয়ে অধ্যক্ষ হতে পারবে না, তার অধীনে চাকরি করবে এটা বড়ই অবমাননাকর। বিষয়টা সুবিবেচনায় নেওয়া বিশেষ প্রয়োজন। পূর্বে জনবল কাঠামো ছিল যে, প্রভাষকরা ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা থাকলে অধ্যক্ষ হতে পারতেন। তাছাড়া সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতির যে অনুপাত (৫:২) রাখা হয়েছে, তাতে সহকারী অধ্যাপক পদে প্রভাষকদের যাওয়ার পথ রুদ্ধ হয়ে গেছে ১১.৪ অনুচ্ছেদের মাধ্যমে।
আবার পূর্বের জনবল কাঠামোতে প্রভাষকদের ২ বছর চাকরির পর যে উচ্চতর স্কেল দেওয়া হতো, তাও বাতিল করা হয়েছে। যদি তাদের এই উচ্চতর স্কেল রেখে ১০ বছর ও ৬ বছর পরে দুটি টাইমস্কেল দেওয়া হতো, তাহলে তারা ৬ নং গ্রেডেও যেতে পারতেন এবং তাদের সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দেওয়া যেত। যেমন সহকারী মৌলভিরা শুরুর স্কেল ১২,৫০০ থেকে বিএমএড অথবা কামিল পাস হলে ফুল ১৬,০০০ স্কেল তারপর দুটি টাইমস্কেল পেয়ে তারা সহসুপার স্কেল অর্থাৎ ২৩,০০০ টাকা পাবেন।
তেমনটি যদি প্রভাষকরা শুরুর স্কেল ২২,০০০ টাকা থাকে দুই বছর পর উচ্চতর স্কেল ২৩,০০০ টাকা পেতেন, তারপর দুটি টাইমস্কেল হলে ওই দাখিল মাদরাসার ধারায় প্রভাষকরা ও আলিম মাদ্রাসায় উপাধ্যক্ষ পদের স্কেলে অর্থাৎ ৩৫,৫০০ টাকা পেতেন। তাহলে দাখিল মাদরাসার ধারা ও আলিম মাদরাসার ধারা বহাল থাকত। কিন্তু নতুন জনবল কাঠামোতে দাখিল স্তরে করা হয়েছে, আলিম স্তরে তা করা হয়নি। সহকারী মৌলভি ১৬ বছর পর যে স্কেল অর্থাৎ ২৩,০০০ টাকা পাবেন, প্রভাষকরা সে স্কেলে অর্থাৎ ২৩,০০০ টাকা দশ বছর পর পাবেন। এটা কি একটি বিধান হলো? এটা বড়ই অসামঞ্জস্যপূর্ণ বিষয় এবং বিষয়গুলো অতি জনগুরুত্বপূর্ণ ও জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিধায় জনবল কাঠামোটি সংশোধনীর বিশেষ দাবি রাখে।
লেখক : প্রভাষক, ইসমাইলপুর রহমানিয়া সিনিয়র মাদরাসা, বদলগাছী, নওগাঁ।
Saturday, August 11, 2018
জেলাভিত্তিক এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের শূন্যপদের তালিকা প্রকাশ
নিজস্ব প্রতিবেদক
জেলাভিত্তিক শিক্ষকদের শূন্যপদের তালিকা প্রকাশ করেছে এনটিআরসিএ। সারা দেশে নিম্নমাধ্যমিকঃ ১০৭৬ টি, মাধ্যমিক ১৭৫৯৭ টি, কলেজ ৩৮৯৫ টি শূন্যপদ রয়েছে। নটিআরসির সূত্রে জানা যায় মোট পদের সংখ্যা দাড়িয়েছে ২২৫৬৮টি। জেলাভিত্তিক এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের শূন্যপদের তালিকাটি দেওয়া হলো। নিচে বিস্তারিত-
১।বাগেরহাট
নিম্নমাধ্যমিক-৩৯
মাধ্যমিক -৪৪৩
কলেজ-৮৬
মোট-৫৬৪
২।বান্দরবন
নিম্নমাধ্যমিক-১
মাধ্যমিক -৭৩
কলেজ-৪
মোট-৭৮
৩।বরগুনা
নিম্নমাধ্যমিক-০
মাধ্যমিক -৯৩
কলেজ-৩৯
মোট-১৩২
৪।বরিশাল
নিম্নমাধ্যমিক-৩৫
মাধ্যমিক -৫৫৭
কলেজ-১৪২
মোট-৭৩৫
৫।ভোলা
নিম্নমাধ্যমিক-২৮
মাধ্যমিক -২৯৯
কলেজ-২৯
মোট-৩৫৬
৬।বগুড়া
নিম্নমাধ্যমিক-১১
মাধ্যমিক -২৭২
কলেজ-৫২
মোট-৩৩৫
৭।ব্রাহ্মনবাড়িয়া
নিম্নমাধ্যমিক-২৩
মাধ্যমিক -১৩৯
কলেজ-৮২
মোট-৫৪৪
৮।চাঁদপুর
নিম্নমাধ্যমিক-৫৩
মাধ্যমিক -৫৮৩
কলেজ -১১২
মোট-৭৪৮
৯।চাঁপাইনবাবগন্জ
নিম্নমাধ্যমিক-১৯
মাধ্যমিক -২৫০
কলেজ-৭৩
মোট-৩৪৫
১০।চট্টগ্রাম
নিম্নমাধ্যমিক-৫৭
মাধ্যমিক -৮৩৯
কলেজ-১৬০
মোট-১০৫৬
১১।চুয়াডাঙ্গা
নিম্নমাধ্যমিক-১৩
মাধ্যমিক -১৮১
কলেজ-৪৬
মোট-২৪০
১২।কুমিল্লা
নিম্নমাধ্যমিক-৫০
মাধ্যমিক -১২১১
কলেজ-১৭৬
মোট-১৪৩৭
১৩।কক্সবাজার
নিম্নমাধ্যমিক-২০
মাধ্যমিক -১৪৩
কলেজ-৬
মোট-১৬৯
১৪।ঢাকা
নিম্নমাধ্যমিক-২২
মাধ্যমিক -৪১৬
কলেজ-১১৪
মোট-৫৫২
১৫।দিনাজপুর
নিম্নমাধ্যমিক-৪৮
মাধ্যমিক -৫৮০
কলেজ-১৮২
মোট-৮১০
১৬।ফরিদপুর
নিম্নমাধ্যমিক-৩০
মাধ্যমিক -২১৩
কলেজ-৩৫
মোট-২৭৮
১৭।ফেনী
নিম্নমাধ্যমিক-০
মাধ্যমিক -২৪৮
কলেজ-১২
মোট-২৬০
১৮।গাইবান্ধা
নিম্নমাধ্যমিক-৬
মাধ্যমিক -১৬৫
কলেজ-৪৯
মোট-২২০
১৯।গাজীপুর
নিম্নমাধ্যমিক-২০
মাধ্যমিক -২৭৪
কলেজ-১৬
মোট-৩১০
২০।গোপালগঞ্জ
নিম্নমাধ্যমিক-১৪
মাধ্যমিক -২৪৮
কলেজ-৩২
মোট-২৯৪
২১।হবিগন্জ
নিম্নমাধ্যমিক-০
মাধ্যমিক -৩৪৪
কলেজ-১১৫
মোট-৪৫৯
২২।যশোর
নিম্নমাধ্যমিক-১
মাধ্যমিক -২২৫
কলেজ-১০২
মোট-৩২৮
২৩।ঝালকাঠি
নিম্নমাধ্যমিক-০
মাধ্যমিক -২০৪
কলেজ-২২
মোট-২২৬
২৪।ঝিনাইদহ
নিম্নমাধ্যমিক-৪
মাধ্যমিক -২০১
কলেজ-৫৮
মোট-২৬৩
২৫।জয়পুরহাট
নিম্নমাধ্যমিক-০
মাধ্যমিক -৪৯
কলেজ-২৫
মোট-৭৪
২৬।খাগড়াছড়ি
নিম্নমাধ্যমিক-২
মাধ্যমিক -৯৭
কলেজ-৮
মোট-১০৭
২৭।খুলনা
নিম্নমাধ্যমিক-১
মাধ্যমিক -১৭৯
কলেজ-৫৭
মোট-২৩৭
২৮।কিশোরগন্জ
নিম্নমাধ্যমিক-১
মাধ্যমিক -২০৪
কলেজ-৪২
মোট-২৪৭
২৯।কুড়িগ্রাম
নিম্নমাধ্যমিক-৫৩
মাধ্যমিক -২৬০
কলেজ-৮২
মোট-৩৯৫
৩০।কুষ্টিয়া
নিম্নমাধ্যমিক-০
মাধ্যমিক -১১৪
কলেজ-১৬
মোট-১৩০
৩১।লালমনিরহাট
নিম্নমাধ্যমিক-৫
মাধ্যমিক -১০২
কলেজ-৫২
মোট-১৫৯
৩২।লক্ষীপুর
নিম্নমাধ্যমিক-১৮
মাধ্যমিক -২৪৫
কলেজ-৪৯
মোট-৩১২
৩৩।মাদারীপুর
নিম্নমাধ্যমিক-০১
মাধ্যমিক -২৮২
কলেজ-৭৩
মোট-৩৫৬
৩৪।মাগুড়া
নিম্নমাধ্যমিক-১১
মাধ্যমিক -৯৮
কলেজ-২৭
মোট-১৩৬
৩৫।মানিকগঞ্জ
নিম্নমাধ্যমিক-৫
মাধ্যমিক -১৪৫
কলেজ-১৪
মোট-১৬৪
৩৬।মেহেরপুর
নিম্নমাধ্যমিক-০
মাধ্যমিক -৪১
কলেজ-১২
মোট-৫৩
৩৭।মৌলভীবাজার
নিম্নমাধ্যমিক-২৫
মাধ্যমিক -৫৪২
কলেজ-১২০
মোট-৬৮৭
৩৮।মুন্সিগন্জ
নিম্নমাধ্যমিক-০
মাধ্যমিক -১০৮
কলেজ-১৫
মোট-১২৩
৩৯।ময়মনসিংহ
নিম্নমাধ্যমিক-১
মাধ্যমিক -২৭৮
কলেজ-৪৪
মোট-৩২৩
৪০।নওগাঁ
নিম্নমাধ্যমিক-৬
মাধ্যমিক -২৩৭
কলেজ-২৯
মোট-২৭২
৪১।নড়াইল
নিম্নমাধ্যমিক-০
মাধ্যমিক -৭৯
কলেজ-১৮
মোট-৯৭
৪২।নারায়নগন্জ
নিম্নমাধ্যমিক-৩
মাধ্যমিক -১৩৭
কলেজ-১০
মোট-১৫০
৪৩।নরসিংদী
নিম্নমাধ্যমিক-০
মাধ্যমিক -২৯৬
কলেজ-১৯
মোট-৩১৫
১৪৪।নাটোর
নিম্নমাধ্যমিক-১১
মাধ্যমিক -১১৪
কলেজ-৫১
মোট-১৭৬
৪৫।নেত্রকোনা
নিম্নমাধ্যমিক-১
মাধ্যমিক -১৮৫
কলেজ-২০
মোট-২০৬
৪৬।নীলফামারী
নিম্নমাধ্যমিক-০
মাধ্যমিক -৭৭
কলেজ-৩১
মোট-১০৮
৪৭।নোয়াখালী
নিম্নমাধ্যমিক-৩
মাধ্যমিক -৩৭৯
কলেজ-৫৩
মোট-৪৩৫
৪৮।পাবনা
নিম্নমাধ্যমিক-৩৫
মাধ্যমিক -২৯৯
কলেজ-১০২
মোট-৪৩৬
৪৯।পঞ্চগড়
নিম্নমাধ্যমিক-১১
মাধ্যমিক -৫৬
কলেজ-১০
মোট-৭৬
৫০।পটুয়াখালী
নিম্নমাধ্যমিক-৩৯
মাধ্যমিক -৫২৬
কলেজ-২৭
মোট-৫৯২
৫১।পিরোজপুর
নিম্নমাধ্যমিক-২৭
মাধ্যমিক -৪৪৬
কলেজ-৩৮
মোট-৫১১
৫২।রাজবাড়ি
নিম্নমাধ্যমিক-১৬
মাধ্যমিক -১১৬
কলেজ-৮
মোট-১৪০
৫৩।রাজশাহী
নিম্নমাধ্যমিক-০
মাধ্যমিক -১৭৩
কলেজ-১৭
মোট-১৯০
৫৪।রাঙ্গামাটি
নিম্নমাধ্যমিক-৩
মাধ্যমিক -৭৫
কলেজ-২
মোট-৮০
৫৫।রংপুর
নিম্নমাধ্যমিক-৭১
মাধ্যমিক -৩৪৯
কলেজ-১৪৫
মোট-৫৬৫
৫৬।সাতক্ষীরা
নিম্নমাধ্যমিক-২৫
মাধ্যমিক -৩০৫
কলেজ-৪৫
মোট-৩৭৫
৫৭টি।শরীয়তপুর
নিম্নমাধ্যমিক-৮
মাধ্যমিক -২২৭
কলেজ-২৪
মোট-২৫৯
৫৮।শেরপুর
নিম্নমাধ্যমিক-৭
মাধ্যমিক -৬৭
কলেজ-৫
মোট-৭৯
৫৯।সিরাজগঞ্জ
নিম্নমাধ্যমিক-০
মাধ্যমিক -২৮৩
কলেজ-১১০
মোট-৩৯৩
৬০।সুনামগন্জ
নিম্নমাধ্যমিক-৪০
মাধ্যমিক -৬০৪
কলেজ-৯৭
মোট-৭৪১
৬১।সিলেট
নিম্নমাধ্যমিক-৩৭
মাধ্যমিক -৮১৯
কলেজ-১৮৬
মোট-১০৪২
৬২।টাংগাইল
নিম্নমাধ্যমিক-৩২
মাধ্যমিক -৪৮২
কলেজ-৮১
মোট-৫৯৫
৬৩।ঠাকুরগাঁও
নিম্নমাধ্যমিক-৩
মাধ্যমিক -৪৪
কলেজ-১৩
মোট-৬০
৬৪।জামালপুর
নিম্নমাধ্যমিক-৮১
মাধ্যমিক -২৫৭
কলেজ-৯৫
মোট-৪৩৩
Subscribe to:
Posts (Atom)








